আজ নাট্য সম্রাজ্ঞী ফেরদৌসি মজুমদার এর শুভ জন্মদিন

প্রকাশিত: ১০:০৭ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২০
ছবি: নাট্য সম্রাজ্ঞী ফেরদৌসি মজুমদার

জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি…

বাংলাদেশের গুণী অভিনেত্রী ফেরদৌসী মজুমদার। স্বাধীনতার পর থেকে টিভি ও মঞ্চে সমান তালে সফলতার সাথে অভিনয় করে আসছেন। ধারাবাহিক নাটক সংশপ্তকে ‘হুরমতির চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিপুল প্রশংসা লাভ করেন।

জন্ম-
ফেরদৌসী মজুমদার ১৮ই জুন ১৯৪৩ সালে বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহন করেন।

পারিবারিক জীবন-
বরিশালে জন্ম হলেও তিনি বেড়ে উঠেছেন ঢাকায়।বাবা খান বাহাদুর আব্দুল হালিম চৌধুরী ছিলেন ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেট।তাঁর ভাইবোন ছিল মোট ১৪ জন। এদের মধ্যে ৮ জন ভাই এবং ৬ জন বোন।সবচেয়ে বড় ভাই কবীর চৌধুরী এবং মেজ ভাই শহীদ মুনীর চৌধুরী।তাঁর পৈতিক নিবাস নোয়াখালীতে। ফেরদৌসী মজুমদারের পরিবার ছিল খুব রক্ষণশীল।মুসলিম গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ইডেন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করেন।

বিবাহ-
বাবা মার অমতে তিনি ১৯৭০ সালে খ্যাতিমান অভিনেতা রামেন্দু মজুমদারকে বিয়ে করেন। ত্রপা মজুমদার তাঁদের মেয়ে।

অভিনয় জীবন-
ইডেন কলেজে পড়ার সময় তাঁর বড় ভাই মুনীর চৌধুরী থেকে “ডাক্তার আবদুল্লাহর কারখানা” নাটকে রোবটের চরিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাব পান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর তিনি পাবলিক লাইব্রেরিতে ‘দন্ড ও দন্ডধর’ নাটকে অভিনয় করেন । জড়িয়ে পড়েরন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটকের ফোরামে।সন্মানী হিসেবে পান মাত্র ৭৫ টাকা। ফেরদৌসী মজুমদার নীলিমা ইব্রাহিমের লেখা ‘তামসি’ নামক নাটকে অভিনয় করেন। ১৯৭২ সালে ‘থিয়েটার’ দলে যোগ দেন রামেন্দু মজুমদার।তিনি মাত্র ২টি সিনেমায় অভিনয় করেন। সিনেমা দুটি মায়ের অধিকার এবং দমকা। বাংলাদেশ টেলিভিশনে ৩০০ এর মতো নাটকে অভিনয় করেন। আবদুল্লাহ আল মামুন ফেরদৌসী মজুমদারকে নিয়ে একটি ৮৬ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন যার নাম ‘জীবন ও অভিনয়’ ।

উল্লেখযোগ্য নাটক-
কোকিলারা, এখনো ক্রীতদাস, বরফ গলা নদী, জীবিত ও মৃত, বাঁচা, অকুল দরিয়া, যোগাযোগ, সংশপ্তক, চোখের বালি, নিভৃত যতনে, শংখনীল কারাগার, এখনও দুঃসময়, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।সূত্র- দেশেবিদেশে ডট কম।

আপনার মতামত লিখুন :

আমাদের ফেসবুক পেজ